বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডিসিসিআই ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত লালমাইয়ে বাগমারা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত লালমাই প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ‘রওনাকে রমজান’ প্রতিযোগিতায় লালমাইয়ের আল ইসরা মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সাফল্য লালমাইয়ে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা লালমাইয়ে রাজনৈতিক নেতা, ওলামা,সাংবাদিক ও পেশাজীবীদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার লালমাইয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত লালমাইয়ে সরকারি খালের মাটি অবৈধভাবে কাটার অভিযোগে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ৫০ হাজার লালমাইয়ে অসহায় পরিবারকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক ফাউন্ডেশনের ঘর উপহার লালমাইয়ে শ্রমিকদলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

মহাকাশ নিয়ে ইউরোপের ভাবনা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বে এমন অনেক পরিবর্তন হয়, যার সম্পর্কে ভূমি থেকে তেমন ধারণা পাওয়া যায় না৷ কিন্তু মহাকাশ থেকে দেখলে ভালোভাবে পরিবর্তনটি বোঝা যায়৷ যেমন, সাগরে পিএইচ-এর পরিমাণ কমে যাওয়া, দাবানলের প্রসার, প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব ইত্যাদি৷ ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (এসা) আগামী দশকে মহাকাশে গিয়ে এসব বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাওয়ার পরিকল্পনা করছে৷

এসা আকাশে নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চাইছে৷ ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে ফাইভ-জি নেটওয়ার্কের পাশাপাশি এটি ব্যবহৃত হবে বলে দাবি করছে সংস্থাটি৷ তারা বলছে, এটি হবে নতুন প্রজন্মের তারহীন যোগাযোগ, যেখানে সবকিছু, সব জায়গায়, সবসময় যুক্ত থাকবে৷ এটি ভালো হবে, নাকি আশঙ্কার, সেই সিদ্ধান্ত আপনার৷

মহাকাশ পরিষ্কার

১৯৫৭ সালে মহাকাশে ভ্রমণ শুরু হয়েছিল৷ সেই থেকে মহাকাশে অনেক স্যাটেলাইট পাঠানো হয়েছে, যার একটি অংশের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও সেগুলো ফিরিয়ে আনা হয়নি৷ ফলে বর্তমানে আমাদের পৃথিবীর চারপাশে ৩৪ হাজারের বেশি পদার্থ ঘোরাফেরা করছে, যেগুলোর ব্যাস ১০ সেন্টিমিটারের বেশি৷ এসা একটি সক্রিয় মিশনের মাধ্যমে কিছু পদার্থ সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা করছে৷

চাঁদের কাছে স্পেস স্টেশন

আগামী দশকে গেটওয়ে নামে একটি স্পেস স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা করছে এসা৷ সেটি চাঁদের চারপাশে ঘুরবে৷ ফলে আরও ভালোভাবে চাঁদ নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করা সম্ভব হবে৷ এছাড়া মহাকাশের আরো গভীরে যাওয়ার জন্য গেটওয়ে থেকে যাত্রা শুরু করতে পারবেন নভচারীরা৷ এদিকে, ২০২২ সালে বৃহস্পতি গ্রহের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে জুস নামের একটি মহাকাশযান৷

গ্রহাণুপুঞ্জের পথ পরিবর্তন

অ্যাস্টেরয়েড বা গ্রহাণুপুঞ্জের পথ পরিবর্তন করা সম্ভব কিনা তা জানতে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা এসা একটি মিশন পরিচালনা করবে৷ এক্ষেত্রে ডিডুমস অ্যাস্টেরয়েড ও তার চাঁদ ডিডিমুনকে বেছে নেয়া হয়েছে৷ নাসা প্রথমে ডিডিমুনের দিকে সেকেন্ডে ছয় কিলোমিটার বেগে ডিএআরটি নামের একটি প্রোব ছুড়ে মারবে৷ এরপর এসার এইচইআরএ মিশন এই সংঘর্ষের প্রভাব বিশ্লেষণ করবে৷

লঞ্চ ভেহিকল ও স্পেসপ্লেন

২০২০ সালের শেষ নাগাদ লঞ্চ ভেহিকল ‘আরিয়ান ৬’ কাজ শুরু করবে৷ আর ‘স্পেস রাইডার’ নামের একটি চালকহীন স্পেসপ্লেন ২০২২ সালে যাত্রা শুরু করার কথা৷

গন্তব্য চাঁদ

আগামী দশকে প্রথমবারের মতো ইউরোপীয় নভচারীদের চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা হচ্ছে৷ এছাড়া এসার সব নভচারী দ্বিতীয়বারের মতো মহাকাশে যাবেন৷ নাসার পাশাপাশি এসার নভচারীরা মঙ্গলেও যাবেন৷

বাংলাদেশ জার্নাল/এইচকে

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102