1. admin@dainiklalmai.com : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মনোহরগঞ্জে উপজেলা পর্যায়ে রচনা প্রতিযোগিতায় লক্ষণপুর মাদরাসার সাফল্য লালমাইয়ের দুই ছাত্রীর বাজিমাত: জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নুসরাত ও তাবাসসুমের আঞ্চলিক যুদ্ধে যাত্রা লালমাই উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন; সদস্য হলেন ছাত্রনেতা আল আমিন অয়ন লালমাইয়ে ভুশ্চি প্রাইভেট প্র্যাকটিস সেন্টারের শুভ উদ্বোধন লালমাইয়ে আল ইসরা মাদরাসায় ৭৮ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা,শিক্ষার্থীদের ছবক,পাগড়ি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত  নেক্সট লেভেল অফার ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ ওয়ালটন প্লাজা বাগমারা শাখায় ফ্রিজ কিনে ৫০ হাজার টাকার ক্যাশ ভাউচার পেলেন ক্রেতা আন্তর্জাতিক মে দিবসে লালমাইয়ে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের র‍্যালি ও সমাবেশ, শ্রমিকবান্ধব নীতির দাবি লালমাইয়ে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের খাদ্য ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি লালমাইয়ে মেধাবীদের সম্মাননা: বরল ফ্রেন্ডস ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির ৫ম বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত জাতীয় মেধা মূল্যায়ন বৃত্তি পরীক্ষায় আল ইসরা মাদরাসার গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য

 ৭ সন্তান নিয়ে অনাহারে এক মা, নেই মাথা গোঁজার ঠাঁই

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

জঙ্গলে ঘেরা খালের ধারে নড়বড়ে বাড়িতে ৬ সন্তান নিয়ে বসবাস রাবেয়া খাতুনের। বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নেই। নেই বাড়িতে বিদ্যুৎ সযোগ। অনিরাপত্তায় বসবাস। একে একে ছয় মেয়ে সন্তানের পর এক ছেলে সন্তান যেন এই দুঃখি পরিবারের সব কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের হতদরিদ্র এই পরিবারের বসবাস। স্বামী শামসুল ইসলামের কিছুই নেই। পিতার দেওয়া ভিটেবাড়িতে ৭ সন্তান নিয়ে থাকেন রাবেয়া খাতুন। অতি কষ্টের সংসার তার। প্রায় দিন ঘরে খাবার থাকে না। ৭ সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে হিমশিম খান দিনমজুর শামসুল। সকালে কাধে গামছা, হাতে দা নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে নারকেল গাছ সাফ করেন। কোন দিন কাজ হয় আবার কোন দিন হয় না। এদিকে স্ত্রী রাবেয়া খাতুন পিতার বাড়িতেই বাচ্চাকাচ্চা সামলান। কখনো সন্তানের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দিতে পরের বাড়িতে ঝি এর কাজ করেন। রাবেয়া খাতুন জানান, আগে লক্ষিপুর আবাসন প্রকল্পের ঘরে বসবাস করতেন। এখন আর করেন না। এদিকে আম্ফান ঝড়ে তাদের বসবাস করার একমাত্র ঘরটি ভেঙ্গে গেছে। সন্তান নিয়ে নিজ ঘরে বসবাস আর বেঁচে থাকার লড়াই করতে করতে পরিবারটি এখন ক্লান্ত। তাদের দূরাবস্থার জানতে পেরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গান্না ইউনিয়ন বিচিত্রা রাবেয়ার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার পৌছে দিয়েছে। তবে এই সহায়তা পরিবারটির জন্য খবুই অপ্রতুল। বেঁচে থাকার জন্য তাদের সরকারী সহায়তা প্রয়োজন। রাবেয়া খাতুন জানান, “আমাগের ঘড়ডা যদি কেও ভাল করে দিত, আর কিছু নগদ টাকা পাইতাম তবে ৭ সন্তান নিয়ে বাঁচতে পারতাম। এ ব্যাপারে গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীন মালিথা জানান, এমন পরিবারের খোঁজ আমাকে কেও দেয়নি। কারণ আমি গান্না ইউনিয়নের প্রতিটি অসহায় দুস্থ পরিবারকে সরকারী কার্ড করে দিয়েছি। তিনি পরিবারটি খুজে বের করে আর্থিক সহায়তা করবেন বলে জানান।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD