1. admin@dainiklalmai.com : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক (ফার্স্ট সিকিউরিটি ইউনিট) বাগমারা শাখার লেনদেন স্বাভাবিক, স্বস্তি প্রকাশ গ্রাহকদের লালমাইয়ে জামিরা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা লালমাইয়ে জন্মাষ্টমীতে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা আনন্দঘন পরিবেশে শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫৩তম জন্মতিথি উদযাপন লালমাইয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত লালমাইয়ে মিশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত  কুমিল্লা ৩ সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, লালমাই প্রেস ক্লাব এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ লালমাইয়ে আশকামতা মোহাম্মদীয়া মহিলা আলিম মাদরাসায় কিতাব বিতরণ ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত লালমাইয়ে আশকামতা মোহাম্মদীয়া মহিলা আলিম মাদরাসায় কিতাব বিতরণ ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত বাংলা ভাষায় ফরেনসিক অ্যাকাউন্টিং ও আর্থিক অপরাধ তদন্ত বিষয়ক প্রথম বই প্রকাশিত জাতীয় নাগরিক পার্টি কুমিল্লা দঃ জেলা আহবায়ক কমিটি ঘোষণা: সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব হলেন ‘জুলাই যোদ্ধা’ কবির হোসেন

 ৭ সন্তান নিয়ে অনাহারে এক মা, নেই মাথা গোঁজার ঠাঁই

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ৩০১ বার পড়া হয়েছে

জঙ্গলে ঘেরা খালের ধারে নড়বড়ে বাড়িতে ৬ সন্তান নিয়ে বসবাস রাবেয়া খাতুনের। বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নেই। নেই বাড়িতে বিদ্যুৎ সযোগ। অনিরাপত্তায় বসবাস। একে একে ছয় মেয়ে সন্তানের পর এক ছেলে সন্তান যেন এই দুঃখি পরিবারের সব কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের হতদরিদ্র এই পরিবারের বসবাস। স্বামী শামসুল ইসলামের কিছুই নেই। পিতার দেওয়া ভিটেবাড়িতে ৭ সন্তান নিয়ে থাকেন রাবেয়া খাতুন। অতি কষ্টের সংসার তার। প্রায় দিন ঘরে খাবার থাকে না। ৭ সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে হিমশিম খান দিনমজুর শামসুল। সকালে কাধে গামছা, হাতে দা নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে নারকেল গাছ সাফ করেন। কোন দিন কাজ হয় আবার কোন দিন হয় না। এদিকে স্ত্রী রাবেয়া খাতুন পিতার বাড়িতেই বাচ্চাকাচ্চা সামলান। কখনো সন্তানের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দিতে পরের বাড়িতে ঝি এর কাজ করেন। রাবেয়া খাতুন জানান, আগে লক্ষিপুর আবাসন প্রকল্পের ঘরে বসবাস করতেন। এখন আর করেন না। এদিকে আম্ফান ঝড়ে তাদের বসবাস করার একমাত্র ঘরটি ভেঙ্গে গেছে। সন্তান নিয়ে নিজ ঘরে বসবাস আর বেঁচে থাকার লড়াই করতে করতে পরিবারটি এখন ক্লান্ত। তাদের দূরাবস্থার জানতে পেরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গান্না ইউনিয়ন বিচিত্রা রাবেয়ার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার পৌছে দিয়েছে। তবে এই সহায়তা পরিবারটির জন্য খবুই অপ্রতুল। বেঁচে থাকার জন্য তাদের সরকারী সহায়তা প্রয়োজন। রাবেয়া খাতুন জানান, “আমাগের ঘড়ডা যদি কেও ভাল করে দিত, আর কিছু নগদ টাকা পাইতাম তবে ৭ সন্তান নিয়ে বাঁচতে পারতাম। এ ব্যাপারে গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীন মালিথা জানান, এমন পরিবারের খোঁজ আমাকে কেও দেয়নি। কারণ আমি গান্না ইউনিয়নের প্রতিটি অসহায় দুস্থ পরিবারকে সরকারী কার্ড করে দিয়েছি। তিনি পরিবারটি খুজে বের করে আর্থিক সহায়তা করবেন বলে জানান।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD