1. admin@dainiklalmai.com : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লায় জাতীয় মেধা মূল্যায়ন বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, অংশ নিল প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী লালমাইয়ে নবজাতক কন্যাশিশুকে ফেলে মায়ের উধাও, চার দিন পর ইউএনওর উদ্যোগে সেফ হোমে আশ্রয় লালমাইয়ে ৫টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া লালমাইয়ে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও বস্ত্র উপহার দিলেন এনসিপি নেতারা বাগমারা উত্তর ইউনিয়নে শারদীয় দুর্গাপূজার মহাষ্টমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতারা কুমিল্লায় খুচরা সার বিক্রেতা এসোসিয়েশনের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত: আগামী ২ বছরের জন্য নতুন কমিটি গঠন লালমাই উপজেলায় হামদ-নাত ও কিরাতে প্রথম স্থান অর্জন আসাদুল্লাহ মেহেদীর আল ইসরা মাদরাসার গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য লালমাইয়ের ড. মোস্তফা সাজ্জাদ হাসান: হিসাববিজ্ঞান, ফরেনসিক অডিট ও আইন পেশায় এক বহুমাত্রিক অর্জনের গল্প সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম তরুনকে ‘আপনজন সম্মাননা’ প্রদান # জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা শাখার পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত লালমাইয়ে যানজট নিরসনে প্রশাসনের অভিযান, সিএনজি স্ট্যান্ডকে ঘিরে কঠোর হুঁশিয়ারি

 ৭ সন্তান নিয়ে অনাহারে এক মা, নেই মাথা গোঁজার ঠাঁই

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ৩৬২ বার পড়া হয়েছে

জঙ্গলে ঘেরা খালের ধারে নড়বড়ে বাড়িতে ৬ সন্তান নিয়ে বসবাস রাবেয়া খাতুনের। বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নেই। নেই বাড়িতে বিদ্যুৎ সযোগ। অনিরাপত্তায় বসবাস। একে একে ছয় মেয়ে সন্তানের পর এক ছেলে সন্তান যেন এই দুঃখি পরিবারের সব কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের হতদরিদ্র এই পরিবারের বসবাস। স্বামী শামসুল ইসলামের কিছুই নেই। পিতার দেওয়া ভিটেবাড়িতে ৭ সন্তান নিয়ে থাকেন রাবেয়া খাতুন। অতি কষ্টের সংসার তার। প্রায় দিন ঘরে খাবার থাকে না। ৭ সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে হিমশিম খান দিনমজুর শামসুল। সকালে কাধে গামছা, হাতে দা নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে নারকেল গাছ সাফ করেন। কোন দিন কাজ হয় আবার কোন দিন হয় না। এদিকে স্ত্রী রাবেয়া খাতুন পিতার বাড়িতেই বাচ্চাকাচ্চা সামলান। কখনো সন্তানের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দিতে পরের বাড়িতে ঝি এর কাজ করেন। রাবেয়া খাতুন জানান, আগে লক্ষিপুর আবাসন প্রকল্পের ঘরে বসবাস করতেন। এখন আর করেন না। এদিকে আম্ফান ঝড়ে তাদের বসবাস করার একমাত্র ঘরটি ভেঙ্গে গেছে। সন্তান নিয়ে নিজ ঘরে বসবাস আর বেঁচে থাকার লড়াই করতে করতে পরিবারটি এখন ক্লান্ত। তাদের দূরাবস্থার জানতে পেরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গান্না ইউনিয়ন বিচিত্রা রাবেয়ার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার পৌছে দিয়েছে। তবে এই সহায়তা পরিবারটির জন্য খবুই অপ্রতুল। বেঁচে থাকার জন্য তাদের সরকারী সহায়তা প্রয়োজন। রাবেয়া খাতুন জানান, “আমাগের ঘড়ডা যদি কেও ভাল করে দিত, আর কিছু নগদ টাকা পাইতাম তবে ৭ সন্তান নিয়ে বাঁচতে পারতাম। এ ব্যাপারে গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীন মালিথা জানান, এমন পরিবারের খোঁজ আমাকে কেও দেয়নি। কারণ আমি গান্না ইউনিয়নের প্রতিটি অসহায় দুস্থ পরিবারকে সরকারী কার্ড করে দিয়েছি। তিনি পরিবারটি খুজে বের করে আর্থিক সহায়তা করবেন বলে জানান।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD